Saturday, October 26, 2013

সাতটি বিষয়ে পুরুষদের রয়েছে অনন্য পটুত্ব

এমন অনেক কিছুই রয়েছে যা পুরুষরা করতে পারেন কিন্তু নারীরা পারেন না। পাশাপাশি আবার এমন কাজ আছে যা নারীরা করতে পারেন কিন্তু পুরুষরা পারেন না। উদাহরণ হিসেবে সন্তান জন্মদানের বিষয়টির উল্লেখ করা যেতে পারে।


তবে এমন সাতটি বিষয় রয়েছে যাতে পুরুষরা এতটাই অনন্য যে নারীদের কাছে এসব কাজের জন্য পুরুষদের সত্যিই ঈর্ষণীয় মনে হয়।
১. সকাল বেলার আবেদনময় গলার স্বর :

এটাই এই তালিকায় পুরুষদের সবচেয়ে ঈর্ষণীয় এবং শীর্ষে থাকার যোগ্য বৈশিষ্ট্য। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পুরুষদের গলার স্বর এতটাই আবেদনময় এবং ভরাট থাকে যে এতে নারীদের নেশা ধরে যায়। অথচ নারীরা ঘুম থেকে ওঠার পর কথা বললে সুখকর আওয়াজ হয় না। তবে, পুরুষদের স্বাভাবিক স্বরের আবেদনময়তার হার অনুযায়ীই সকালের স্বরও আবেদনময় হয়ে ওঠে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, স্বাভাবিকভাবে সংবেদনশীল স্বরের অধিকারী পুরুষদের গলার স্বরই সকাল বেলা সবচেয়ে বেশী আবেদনময় হয়ে ওঠে। আর এর পাশাপাশি তার যদি জর্জ ক্লুনির মতো চেহারা থাকে তাহলে তো সে হয়ে উঠবে আরো অতুলনীয়।


২. আরামদায়ক আলিঙ্গন দানের সামর্থ্য:

এ বিষয়টি অস্বীকার করার কোনো উপায়ই নেই। কোন পুরুষকে জড়িয়ে ধরাটা একটি প্রমাণ সাইজের টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার মতো। শুধুই উষ্ণতা। এবং মায়া ভরা। এতে সব ঠিক হয়ে যাবে শুধু এমন অনুভুতিই হয়না বরং ওই আলিঙ্গনে দুনিয়াটাকে অনেক বেশী নিরাপদও মনে হয়। এছাড়া জড়িয়ে ধরার পর পুরুষরা যেভাবে চুলের গন্ধ শোঁকে তা এক অসাধারণ ভাল লাগার অনুভুতি ছড়িয়ে দেয়।


৩. রহস্যময়ভাবে খোঁচা মেরে জ্বালাতন করা এবং পরক্ষণেই স্বস্তিদায়ক অনুভুতি ছড়িয়ে দেয়ার অসাধারণ ক্ষমতা:

চিন্তা নেই, এরপরও আমি তোমার সঙ্গেই আছি ধরনের কথা বলে স্বান্ত্বনা দেওয়ার ক্ষমতা পুরুষদের আছে। একই সঙ্গে আপনাকে পীড়া দেয়া এবং পরক্ষণেই আশ্বস্ত করার এ অসাধারণ ক্ষমতাটি আছে শুধু পুরুষদেরই আছে । এর সবচেয়ে ভালো একটি উদাহরণ হতে পারে, কোন নারী সন্তান জন্মদানের সময় তার পুরুষ সঙ্গী তাকে হয়তো বললো, ‘তোমার কী খুব কষ্ট হচ্ছে?’। পরক্ষণেই সে আপনার বিরক্তিপূর্ণ অভিব্যক্তি দেখে বলবে, ‘কিন্তু, আমি জানি তুমি অনেক সাহসী, প্রিয়তমা’। তখন আপনার এই অনুভুতি হবে যে, যাক, সে অন্তত আপনার গর্ভে সন্তান ধারণ ভুল হয়েছে এমনটি মনে করছে না, ঠিক নয় কি?


৪. একদমই ঠিক হয়নি এমন কথা বলার পরও তা আনন্দদায়ক করে তোলা :

এটা পুরুষদের একটা ক্ল্যাসিক গুন। তবে আমরা এখানে, ‘আপনি কি প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ায় বিশ্বাস করেন, নাকি আমি আবারো আপনার চোখের সামনে দিয়ে হেঁটে যাবো’ এ ধরনের চটুল কোন চাপাবাজির কথা বলছি না। বরং আমরা ঠান্ডা মাথার মসৃণ কটাক্ষকারীদের কথাই বলছি।


৫. আগপিছ না ভেবে গপগপ করে ভক্ষণ করা এবং এ ব্যাপারে কোন অপরাধবোধে না ভোগার অদ্ভূত ক্ষমতা :

আপনি কি কখনো কোন কিশোর বয়সী বালককে নেকড়ের মতো হামলে পড়ে পুরো একটি পিজা একাই সাবাড় করে দেয়ার দৃশ্য দেখেছেন? অথবা কোন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে চারজনের খাবারের সমান বিরিয়ানি একাই গলাধঃকরণের দৃশ্য? এ ছাড়া আরো ভয়াবহ বিষয়ও রয়েছে: আপনি কি কখনো কোন পুরুষকে তাদের পেটে এখন খিদে নেই এমনটি বলতে শুনছেন? উত্তর: নাহ্। তাদের হয়তো অসাধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এক পরিপাকতন্ত্র রয়েছে। অথবা তারা হয়তো এভাবেই গড়ে উঠেছে যে বিশাল পরিমাণ খাদ্য গলাধঃকরণের পরও তারা নির্বিঘ্নেই কাজ চালিয়ে যেতে পারে। অতএব নারীরা বলতেই পারেন- হে পুরুষগণ, আমরা আপনাদেরকে ঈর্ষা করি! কারণ আপনাদেরকে হিপ এবং উরুতে অতিরিক্ত চর্বি নিয়ে কোন দুঃশ্চিন্তায় ভুগতে হয়না।


৬. কোন বিষয় দ্রুত সমাধানের সামর্থ্য :

হে নারীগণ! আমরা এখানে শুধু আপনাদের অনুভুতির বিষয়ে বলছি না। বরং আমরা এখানে ঘরের বৈদ্যুতিক বাল্ব এবং ফিউজ ওয়্যার থেকে শুরু করে আপনাদের পিসি এবং মোবাইল ফোনসহ সবকিছুরই কথা বলছি। আর নারীদের বিছানায় নিয়ে যেতে প্ররোচিত করতে পুরুষের ব্যবহৃত কলা-কৌশলগুলো রতো কোনো জুড়িই নেই।


৭. গেমিংয়ের দক্ষতা :

এটাও তাদের একটি স্বভাবজাত গুণ। ভিডিও গেমে তারা সহজেই একজন নারীকে হারিয়ে দিতে পারে। (তবে এ ক্ষেত্রে একান্তই মেয়েদের কোন খেলার কথা বাদ দিতে হবে)। খুবই প্রাজ্ঞ কোন এক পুরুষ বলেছিলেন, ‘ভিডিও গেমের ক্ষেত্রে পুরুষরা নারীদের পুরোপুরি ধ্বসিয়ে দিতে সক্ষম।

No comments:

Post a Comment