প্রেমে পড়েছেন? বিয়ের সম্পর্কে জড়াতে অস্থির হয়ে আছেন? তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্তে না এসে এ ব্যাপারে অভিজ্ঞজনের কিছু পরামর্শ আত্মস্থ করুন। জীবনে প্রেমে পড়তেই পারেন। তবে চমৎকার ও দীর্ঘস্থায়ী একটি সম্পর্কে জড়াবার আগে ভেবে দেখুন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের ১০টি কারণ আপনাকে প্রভাবিত করছে কি না। করলে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কে জড়াবার আগে আরেকবার ভাবুন।
১. মেয়েটি চমৎকার: পৌনে পাঁচ শ মেয়ের সাথে আপনার পরিচয় থাকতে পারে। তাদের অনেককেই আপনার চোখে চমৎকার মনে হতে পারে। ভালবাসায় জড়াতে ভাল তো লাগতেই হবে। তবে শুধু সুন্দর হওয়াটাই সম্পর্কে জড়াবার একমাত্র কারণ হতে পারে না। কেননা অন্য কোনো মেয়ের মধ্যে আপনি এই মেয়েটির চেয়ে বেশি সৌন্দর্য খুঁজে পেতে পারেন। তখন আপনার সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে।
২. দীর্ঘদিন ধরে একে-অপরকে চেনেন: দীর্ঘদিন তার সাথে আপনার পরিচয় আছে মানেই আপনাদের মধ্যে বন্ধুত্ব বিরাজ করছে। আবার স্রেফ চেনা-জানাও হতে পারে। দু'জনের মাঝে অনেক দিনের সুসম্পর্ক থাকলে বুঝতে হবে, একে অপরকে পছন্দ করেন। তাছাড়া পরস্পরকে বোঝেনও বটে। কিন্তু এই কারণটিই এক সাথে বাকী জীবন থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। বুঝতে চেষ্টা করুন, সম্পর্কের পরবর্তী ধাপে যেতে আপনারা রাজি আছেন কি না।
৩. মাও তাকে পছন্দ করেন: বান্ধবী হলে বাসায় আসা-যাওয়া থাকতেই পারে। সে সূত্রে আপনার বাবা-মায়ের সাথে পরিচয় হবেই। দেখবেন, মায়েরা শুধু ছেলের বান্ধবীদের ওপর মনোযোগ ঢালেন। পছন্দসই হলে তিনি তাকে আপনার বউ বানাতে চাইতেও পারেন। কিন্তু এ কারণটি বিয়ের সিদ্ধান্তের জন্য যথেষ্ট নয়। কেননা, জীবনটা আপনার স্ত্রী কাটাবে আপনার সঙ্গে, আপনার পরিবারের সঙ্গে নয়। ফলে, তাদের পছন্দটা একটা যুক্তি হলেও সিদ্ধান্তের জন্য একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না।
৪. মেয়েটির পরিবারও দারুণ: চেনা মেয়েটির পরিবারে আপনার আসা-যাওয়া থাকাটাই স্বাভাবিক। ভাল পরিবার অবশ্যই একটি যুক্তি। নিজের সংস্কৃতির সাথে খাপ খেয়ে যায় এবং হৃদ্যতাপূর্ণ মন-মানসিকতা ধারণ করে এমন পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করতে সবারই মন চাইবে। কিন্তু এক্ষেত্রেও ওপরের যুক্তিটি প্রযোজ্য। মনে রাখবেন, গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার সঙ্গী। তার পরিবার নয়, তিনিই আপনার সঙ্গে থাকবেন।
৫. দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে: দৈহিক সম্পর্কে জড়ালে অনেকে বিয়ের জন্য চাপ অনুভব করেন। কিন্তু বিয়ের জন্য এটি যথেষ্ট যুক্তি নয়। দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াবার আগে ভাবুন, আসলেই আপনারা একসঙ্গে থাকতে আগ্রহী কি না।
৬. মেয়েটি ভাল উপার্জন করে: সঙ্গী আত্মনির্ভরশীল হলে সেটি ইতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু তার টাকা সম্পর্কে জড়াবার জন্য একমাত্র যুক্তি হতে পারে না। মনে রাখুন, আপনি নিজেকে তার কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন না। আপনারা একটা অর্থপূর্ণ পারিবারিক সম্পর্কে জড়াতে চলেছেন।
৭. সব বন্ধুই বিয়ের পিঁড়িতে বসছে: প্রেম করার তাগিদ অনুভবের জন্যে এটা একটি যুৎসই কারণ নয়। বন্ধুমহলে বিয়ের হিড়িক লেগেছে, তাই বলে আপনাকে বিয়ে করতে হবে এটি কেমন যুক্তি। নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া না হলে শুধু বন্ধুদের দেখে দেখে প্রেম বা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
৮. মেয়েটিও আমাকে চায়: মেয়েটি আপানাকে চায় সেটা একটি যুক্তি হতে পারে, কিন্তু একমাত্র যুক্তি হতে পারে না। এমন হতেই পারে, মেয়েটি আপনাকে চায়, কিন্তু আপনি তাকে চান না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও সম্পর্কে জড়াবার পর আপনার মনে হতে পারে ভুল করেছেন। তখন তার প্রতি বিরাগ জন্মাতে পারে। সেক্ষেত্রে মেয়েটি বাকী জীবন হয়তো আপনাকে পছন্দ করার কারণেই ভুগবে।
৯. মেয়েটি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড: বন্ধুদের মধ্যে তাকেই সবচেয়ে কাছের বলে মনে হয়। আর পরিচিতজনদের মধ্যে সবচেয়ে আপনজন। কিন্তু মনে রাখুন, বিয়ে আর বন্ধুত্ব এক ব্যাপার নয়। আপনি আপনার স্ত্রীকে বেস্ট ফ্রেন্ড বানাতে পারেন, কিন্তু বেস্ট ফ্রেন্ডকে ভাল স্ত্রী বানাতে পারবেন সে নিশ্চয়তা নেই।
১০. এখন বিয়ে করাটা প্রয়োজন: হঠাৎ মনে হলো, এখন আপনার বিয়ে করা প্রয়োজন অমনি সবদিক না ভেবে আপনি বিয়ের জন্য উদ্যোগী হলেন। একইভাবে আপনার মনে হতে পারে, এখন আর বিয়ের দরকার নেই, তখন কি আপনি ডিভোর্সের জন্য উদ্যোগী হবেন? ফলে, বিয়ে বা দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াবার আগে সঠিক নারীর জন্য অপেক্ষা করুন। সম্পর্ক ব্যাপারটি বুঝতে চেষ্টা করুন।
১. মেয়েটি চমৎকার: পৌনে পাঁচ শ মেয়ের সাথে আপনার পরিচয় থাকতে পারে। তাদের অনেককেই আপনার চোখে চমৎকার মনে হতে পারে। ভালবাসায় জড়াতে ভাল তো লাগতেই হবে। তবে শুধু সুন্দর হওয়াটাই সম্পর্কে জড়াবার একমাত্র কারণ হতে পারে না। কেননা অন্য কোনো মেয়ের মধ্যে আপনি এই মেয়েটির চেয়ে বেশি সৌন্দর্য খুঁজে পেতে পারেন। তখন আপনার সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে।
২. দীর্ঘদিন ধরে একে-অপরকে চেনেন: দীর্ঘদিন তার সাথে আপনার পরিচয় আছে মানেই আপনাদের মধ্যে বন্ধুত্ব বিরাজ করছে। আবার স্রেফ চেনা-জানাও হতে পারে। দু'জনের মাঝে অনেক দিনের সুসম্পর্ক থাকলে বুঝতে হবে, একে অপরকে পছন্দ করেন। তাছাড়া পরস্পরকে বোঝেনও বটে। কিন্তু এই কারণটিই এক সাথে বাকী জীবন থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। বুঝতে চেষ্টা করুন, সম্পর্কের পরবর্তী ধাপে যেতে আপনারা রাজি আছেন কি না।
৩. মাও তাকে পছন্দ করেন: বান্ধবী হলে বাসায় আসা-যাওয়া থাকতেই পারে। সে সূত্রে আপনার বাবা-মায়ের সাথে পরিচয় হবেই। দেখবেন, মায়েরা শুধু ছেলের বান্ধবীদের ওপর মনোযোগ ঢালেন। পছন্দসই হলে তিনি তাকে আপনার বউ বানাতে চাইতেও পারেন। কিন্তু এ কারণটি বিয়ের সিদ্ধান্তের জন্য যথেষ্ট নয়। কেননা, জীবনটা আপনার স্ত্রী কাটাবে আপনার সঙ্গে, আপনার পরিবারের সঙ্গে নয়। ফলে, তাদের পছন্দটা একটা যুক্তি হলেও সিদ্ধান্তের জন্য একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না।
৪. মেয়েটির পরিবারও দারুণ: চেনা মেয়েটির পরিবারে আপনার আসা-যাওয়া থাকাটাই স্বাভাবিক। ভাল পরিবার অবশ্যই একটি যুক্তি। নিজের সংস্কৃতির সাথে খাপ খেয়ে যায় এবং হৃদ্যতাপূর্ণ মন-মানসিকতা ধারণ করে এমন পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করতে সবারই মন চাইবে। কিন্তু এক্ষেত্রেও ওপরের যুক্তিটি প্রযোজ্য। মনে রাখবেন, গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার সঙ্গী। তার পরিবার নয়, তিনিই আপনার সঙ্গে থাকবেন।
৫. দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে: দৈহিক সম্পর্কে জড়ালে অনেকে বিয়ের জন্য চাপ অনুভব করেন। কিন্তু বিয়ের জন্য এটি যথেষ্ট যুক্তি নয়। দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াবার আগে ভাবুন, আসলেই আপনারা একসঙ্গে থাকতে আগ্রহী কি না।
৬. মেয়েটি ভাল উপার্জন করে: সঙ্গী আত্মনির্ভরশীল হলে সেটি ইতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু তার টাকা সম্পর্কে জড়াবার জন্য একমাত্র যুক্তি হতে পারে না। মনে রাখুন, আপনি নিজেকে তার কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন না। আপনারা একটা অর্থপূর্ণ পারিবারিক সম্পর্কে জড়াতে চলেছেন।
৭. সব বন্ধুই বিয়ের পিঁড়িতে বসছে: প্রেম করার তাগিদ অনুভবের জন্যে এটা একটি যুৎসই কারণ নয়। বন্ধুমহলে বিয়ের হিড়িক লেগেছে, তাই বলে আপনাকে বিয়ে করতে হবে এটি কেমন যুক্তি। নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া না হলে শুধু বন্ধুদের দেখে দেখে প্রেম বা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
৮. মেয়েটিও আমাকে চায়: মেয়েটি আপানাকে চায় সেটা একটি যুক্তি হতে পারে, কিন্তু একমাত্র যুক্তি হতে পারে না। এমন হতেই পারে, মেয়েটি আপনাকে চায়, কিন্তু আপনি তাকে চান না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও সম্পর্কে জড়াবার পর আপনার মনে হতে পারে ভুল করেছেন। তখন তার প্রতি বিরাগ জন্মাতে পারে। সেক্ষেত্রে মেয়েটি বাকী জীবন হয়তো আপনাকে পছন্দ করার কারণেই ভুগবে।
৯. মেয়েটি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড: বন্ধুদের মধ্যে তাকেই সবচেয়ে কাছের বলে মনে হয়। আর পরিচিতজনদের মধ্যে সবচেয়ে আপনজন। কিন্তু মনে রাখুন, বিয়ে আর বন্ধুত্ব এক ব্যাপার নয়। আপনি আপনার স্ত্রীকে বেস্ট ফ্রেন্ড বানাতে পারেন, কিন্তু বেস্ট ফ্রেন্ডকে ভাল স্ত্রী বানাতে পারবেন সে নিশ্চয়তা নেই।
১০. এখন বিয়ে করাটা প্রয়োজন: হঠাৎ মনে হলো, এখন আপনার বিয়ে করা প্রয়োজন অমনি সবদিক না ভেবে আপনি বিয়ের জন্য উদ্যোগী হলেন। একইভাবে আপনার মনে হতে পারে, এখন আর বিয়ের দরকার নেই, তখন কি আপনি ডিভোর্সের জন্য উদ্যোগী হবেন? ফলে, বিয়ে বা দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াবার আগে সঠিক নারীর জন্য অপেক্ষা করুন। সম্পর্ক ব্যাপারটি বুঝতে চেষ্টা করুন।

No comments:
Post a Comment