বলতে গেলে আমাদের শরীর নানা রকম যন্ত্রের সমাবেশ। যার মধ্যে অন্যতম হৃদযন্ত্র । সঠিক যত্ন না পেলে তা গাড়ির মতই
বিগড়ে বসতে পারে। প্রাত্যহিক ব্যস্ততায় শরীরের এ গুরুত্বপূর্ণ অংশটির যত্ন নেয়ার কথা বেমালুম ভুলে যাই আমরা। ফলে ঘটে যায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া সহ অনুষাঙ্গিক নানা উপসর্গ। তবে অসুস্থ হওয়ার আগে এর প্রতিকার জানা থাকলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। আর এ জন্য জানা চাই কিছু নিয়ম-কানুন। জেনে নিন হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার ১০টি উপায়।১. নিয়মিত ব্যায়াম : শরীর তরতাজা রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন কমপক্ষে আধাঘণ্টার ব্যয়াম আপনার হৃদপিণ্ডকে রাখবে সুস্থ। জিমের কসরত যদি কষ্টকর মনে হয় তাহলে নিজের পা দুটোকেই কাজে লাগান। হাঁটুন।২. লবণ খাবেন, তবে পরিমিত : খাবারে মাত্রারিক্ত লবণ শরীরে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। যা হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায় কয়েকগুণ। তাই রান্নায় লবণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। মনে রাখতে হবে দৈনিক ছয় গ্রামের বেশি লবণ কিছুতেই নয়।৩. ধূমপানকে না বলুন : বলা হয়ে থাকে ধূমপানে বিষপান। অনেকে মনে করেন নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপনের উপায় ধূমপান করা। আদতে তা নয়। আপনার অলক্ষ্যেই অভ্যাসটি হার্টের সমস্যার মতো ভয়াবহ অসুখের দিকে ঠেলে দেবে আপনাকে।৪. পানে সংযমী হোন : অতিরিক্ত অ্যালকোহল শুধু রক্তচাপ নয় কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। তাই পানের আয়েশি অভ্যাস ছেড়ে সংযমী হোন।৫. নিয়ন্ত্রিত ওজন : আপনার শরীরের মাত্রারিক্ত ওজন হৃদয় বহন করতে পারবে না। তাই ওজন কমান। ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন। হার্টের সমস্যার সঙ্গে অন্য অনেক শারীরিক জটিলতাও পালাবে।৬. তাজা ফল রাখুন খাবারের তালিকায় : তাজা ফলমূলে থাকে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। পাশাপাশি স্বল্প মাত্রায় ক্যালরি থাকার কারণে তা আমাদের হৃদযন্ত্রকে সতেজ ও সবল রাখে।৭. জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন : জাঙ্ক ফুডে থাকে প্রচুর চর্বি। যা কলোস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ধমনীতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত করে। তাই এ ধরনের খাবার থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন। এর পরিবর্তে বাদাম অথবা তাজা ফলমূল খান।৮. পর্যাপ্ত ঘুম : ভাল ঘুম নাকি অর্ধেক রোগ সারিয়ে দেয়। কথাটা কিন্তু মিথ্যা নয়। শরীরের নানা রকম সমস্যায় শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করে ঘুম। কারণ আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের শরীরের যন্ত্রগুলো ফর্মে ফিরে আসে। তাই ঘুমের সঙ্গে কোনো আপোস নয়।
বিগড়ে বসতে পারে। প্রাত্যহিক ব্যস্ততায় শরীরের এ গুরুত্বপূর্ণ অংশটির যত্ন নেয়ার কথা বেমালুম ভুলে যাই আমরা। ফলে ঘটে যায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া সহ অনুষাঙ্গিক নানা উপসর্গ। তবে অসুস্থ হওয়ার আগে এর প্রতিকার জানা থাকলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। আর এ জন্য জানা চাই কিছু নিয়ম-কানুন। জেনে নিন হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার ১০টি উপায়।১. নিয়মিত ব্যায়াম : শরীর তরতাজা রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন কমপক্ষে আধাঘণ্টার ব্যয়াম আপনার হৃদপিণ্ডকে রাখবে সুস্থ। জিমের কসরত যদি কষ্টকর মনে হয় তাহলে নিজের পা দুটোকেই কাজে লাগান। হাঁটুন।২. লবণ খাবেন, তবে পরিমিত : খাবারে মাত্রারিক্ত লবণ শরীরে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। যা হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায় কয়েকগুণ। তাই রান্নায় লবণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। মনে রাখতে হবে দৈনিক ছয় গ্রামের বেশি লবণ কিছুতেই নয়।৩. ধূমপানকে না বলুন : বলা হয়ে থাকে ধূমপানে বিষপান। অনেকে মনে করেন নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপনের উপায় ধূমপান করা। আদতে তা নয়। আপনার অলক্ষ্যেই অভ্যাসটি হার্টের সমস্যার মতো ভয়াবহ অসুখের দিকে ঠেলে দেবে আপনাকে।৪. পানে সংযমী হোন : অতিরিক্ত অ্যালকোহল শুধু রক্তচাপ নয় কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। তাই পানের আয়েশি অভ্যাস ছেড়ে সংযমী হোন।৫. নিয়ন্ত্রিত ওজন : আপনার শরীরের মাত্রারিক্ত ওজন হৃদয় বহন করতে পারবে না। তাই ওজন কমান। ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন। হার্টের সমস্যার সঙ্গে অন্য অনেক শারীরিক জটিলতাও পালাবে।৬. তাজা ফল রাখুন খাবারের তালিকায় : তাজা ফলমূলে থাকে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। পাশাপাশি স্বল্প মাত্রায় ক্যালরি থাকার কারণে তা আমাদের হৃদযন্ত্রকে সতেজ ও সবল রাখে।৭. জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন : জাঙ্ক ফুডে থাকে প্রচুর চর্বি। যা কলোস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ধমনীতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত করে। তাই এ ধরনের খাবার থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন। এর পরিবর্তে বাদাম অথবা তাজা ফলমূল খান।৮. পর্যাপ্ত ঘুম : ভাল ঘুম নাকি অর্ধেক রোগ সারিয়ে দেয়। কথাটা কিন্তু মিথ্যা নয়। শরীরের নানা রকম সমস্যায় শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করে ঘুম। কারণ আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের শরীরের যন্ত্রগুলো ফর্মে ফিরে আসে। তাই ঘুমের সঙ্গে কোনো আপোস নয়।

No comments:
Post a Comment